ঠাকুরগাঁও শহরের পুরোনো বাসস্ট্যান্ডের গোলচত্বর দিয়ে চলাচল করতে গিয়ে জুলাই স্মৃতিস্তম্ভটি এখন আর সহজে চোখে পড়ে না। চারপাশে টাঙানো নির্বাচনী ব্যানার, ফেস্টুন আর বড় বড় বিলবোর্ডে আড়াল হয়ে গেছে স্তম্ভটির মূল কাঠামো। ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের স্মৃতি ধরে রাখতে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের নির্মিত এই স্তম্ভটি এখন ঢাকা পড়েছে নির্বাচনী প্রচারণার জাঁকজমকে।

ঠাকুরগাঁও শহরের পুরোনো বাসস্ট্যান্ডের গোলচত্বরে নির্বাচনী ব্যানার, ফেস্টুন ও বিলবোর্ডে প্রায় পুরোপুরি আড়াল হয়ে গেছে জুলাই স্মৃতিস্তম্ভ। ২০২৪ সালের ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের স্মৃতি রক্ষায় নির্মিত এই স্তম্ভটি নির্বাচনী প্রচারণার আড়ালে চলে যাওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন স্থানীয় বাসিন্দা ও আন্দোলনসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা।
ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনকে কেন্দ্র করে গোলচত্বরে বিএনপি ও জামায়াতের সমর্থকেরা প্রচারণাসামগ্রী স্থাপন করেন। এতে স্মৃতিস্তম্ভটির মূল কাঠামো প্রায় ঢেকে যায়।
স্থানীয়দের অভিযোগ, যে অভ্যুত্থানের আত্মত্যাগের স্মৃতি ধরে রাখতে এই স্তম্ভ নির্মাণ করা হয়েছে, নির্বাচনী প্রচারণার কারণে সেটিই আড়াল হয়ে যাওয়া দুঃখজনক। তাঁরা স্মৃতিস্তম্ভের সামনে থেকে ব্যানার-বিলবোর্ড সরিয়ে সেটি দৃশ্যমান রাখার দাবি জানিয়েছেন।
এ বিষয়ে বিএনপির স্থানীয় এক নেতা জানান, কর্মীরা না বুঝে স্তম্ভের সামনে ব্যানার টাঙিয়েছেন। অন্যদিকে জামায়াতের স্থানীয় এক নেতা বলেন, বিষয়টি নিয়ে আলোচনা চলছে। অন্য দলের ব্যানার সরানো হলে তাঁরাও নিজেদের প্রচারণাসামগ্রী সরিয়ে নেবেন।
জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ রফিকুল হক জানিয়েছেন, স্মৃতিস্তম্ভ ঘিরে স্থাপন করা ব্যানার-বিলবোর্ড সরিয়ে নেওয়ার ব্যবস্থা করা হচ্ছে।